Join Us On Facebook

Please Wait 10 Seconds...!!!Skip

নারীদের উত্তরাধিকার অর্জন

(এই লেখাটি কতটুকু মান সম্পন্ন তা নিয়ে তর্ক হতে পারে, কিন্তু বর্ণিত বিষয়টির গুরুত্ব তর্কাতীত। অথচ তিক্ত অভিজ্ঞতা হল, অনেক স্থানেই লেখাটি পাঠিয়েছিলাম, কেউ ছাপে নি, এমনকি নারী অধিকারের ধ্বজাধারীরাও না। বুঝতে বাকি রইল না যে, সবখানেই ' ডাল মে কুঁচ কালা হ্যাঁয় ।' যাহোক বাংলাটপনিউজ২৪ডটকম ছেপেছে, এ জন্য তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। প্রিয় পাঠক ! এই লেখাটির গুরুত্ব আপনি উপলব্ধি করবেন, যদি লেখাটি পড়ার আগে কিম্বা পরে আপনার আম্মাকে জিজ্ঞাসা করেন, " আম্মা! নানা - নানী থেকে ওয়ারিশান সূত্রে প্রাপ্য আপনার হিস্যাটুকু পুরোপুরি পেয়েছেন কি ? "  উত্তর যদি হ্যাঁ হয়ে থাকে, তবে আপনার আম্মা নিঃসন্দেহে ভাগ্যবতী। আর যদি না উত্তর পেয়ে থাকেন, তবে মা-এর প্রাপ্য আদায়ের জন্য আপনি কী করবেন সেটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু আপনি যাতে হিম্মৎ করেন, আমি ঐ চেষ্টাটুকুই করছি। 

মহান আল্লাহ্‌ পাক সৃষ্টি করেছেন নারী এবং পুরুষ, উভয়কে। তবে তিনি তার অসীম জ্ঞান মোতাবেক উভয়ের গড়নে ও স্বভাবে পার্থক্য রেখেছেন। এটা নিয়ে কেহ কোনদিন দ্বিরুক্তি করে নি। সেই মহান আল্লাহ্‌-ই তাঁর অসীম এবং সর্বপ্রকারের দোষত্রুটি মুক্ত জ্ঞান অনুসারে নারী ও পুরুষের জন্য ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্ব, কর্তব্য এবং অধিকার নির্ধারণ করেছেন এবং মানবজাতির প্রতি একান্ত করুণা করে ঐগুলোকে ওহীর মাধ্যমে জানিয়েও দিয়েছেন। মানবজাতির কর্তব্য এই বিধানগুলোকে বাস্তবায়িত করা। এতে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হয়।



যে সকল বিষয়ে আল্লাহ্‌ পাক সুস্পষ্ট বিধান দিয়েছেন, উহাদের মধ্যে মহা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হল উত্তরাধিকারের সম্পত্তি বণ্টন। এতে রয়েছে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে নারীদের অধিকারের একটি দ্ব্যর্থহীন ও পরিপূর্ণ বর্ণনা।

আল-কুরআনের সাথে তামাশা !

হঠাৎ করে একটি সূত্রের আবিষ্কার নিয়ে বেশ তোলপাড় শুরু হয়েছে। সূত্রটি হল আল-কুরআনের সূরার সংখ্যা অর্থাৎ ১১৪ সংখ্যাটি ব্যবহার করে যে কোন লোকের বয়স নির্ণয় করা সংক্রান্ত। সূত্রটির বর্ণনাঃ জন্মসালের শেষের দুই সংখ্যা নিতে হবে। এবার সূরার সংখ্যা অর্থাৎ ১১৪ হতে উক্ত দুই সংখ্যা বিয়োগ করতে হবে। প্রাপ্ত বিয়োগফলের সাথে দুই যোগ করতে হবে। তাহলেই বয়সের সংখ্যাটি বের হয়ে আসবে। (বয়সটি পাওয়া যাবে ২০১৬ সালের হিসাবে)। উদাহরণঃ কারো জন্ম ১৯৮৭ সালে হলে বর্ণিত সুত্রমতে তার বয়স = (১১৪ ৮৭) + ২ = ২৯ বৎসর। আসলেও ২০১৬ সালে তার বয়স ২৯ বৎসর হয়েছিল।


এই সূত্রটিকে কেহ কেহ আল-কুরআনের একটি সাংখ্যিক অলৌকিকত্ব (মুযিযা) হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছেন  দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে লিখতে বাধ্য হচ্ছি যে, এই অদ্ভুত সূত্রটির মাধ্যমে আল-কুরআনের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। যেমন, কারো জন্ম ২০১০ সালে হলে তার বয়স ২০১৬ সালে হয় ৬ বৎসর। অথচ ঐ 

সাধারণ কিছু গাণিতিক ভুল-৩


এক চলকের(variable) বা অজ্ঞাত রাশির(unknown) বহুপদীর(polynomial) সমীকরণ  নিয়ে এবারে কিছু আলোচনা করছিএই জাতিয় সমীকরণগুলো 

ধরণের হয়ে থাকে। সমীকরণ সমাধানের একাধিক পদ্ধতি আছে উহাদের মধ্যে বীজগাণিতিক সূত্র পদ্ধতিটি সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। বীজগাণিতিক সূত্র বলতে এমন

একটি পদ্ধতি বুঝায় যেখানে 

এই ৬ টির  বাইরে অন্য কোন গাণিতিক প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয় না                                            
বিঃ দ্রঃ এই অধ্যায়ের সম্পূর্ণ আলোচনায় আমরা ধরে নেব যে,  ইত্যাদির প্রত্যেকটি একটি বাস্তব সংখ্যা। ( অন্যথায় ভিন্ন ফল পাওয়া যেতের পারে )।  

সাধারণ কিছু গাণিতিক ভুল-২

এখানে সংখ্যা মালা (number system) নিয়ে একটু আলোচনা। তবে শুরুতে কিছু ইংরেজি প্রতিশব্দ জেনে নাও।



বাস্তব সংখ্যা (Real Number): গণিতে অপারদর্শী ছাত্রছাত্রীদের নিকট বাস্তব সংখ্যার ধারণাটা বেশ জটিল। এখানে দু’ভাবে ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে। (১) যদি তোমার গণিত-জ্ঞান কেবল ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত হয়ে থাকে, তবে তোমার পরিচিত  (ধনাত্মক, ঋণাত্মক, শূন্য, গোটা কিংবা ভগ্নাংশ)  ইত্যাদি সকল সংখ্যাই বাস্তব সংখ্যা।  (২) যদি জটিল  সংখ্যা সম্বন্ধে তোমার ধারণা থাকে (অর্থাৎ তুমি একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী হয়ে থাক), তবে এটুকু মনে রাখলেই চলবে যে i – মুক্ত সংখ্যাকে বাস্তব সংখ্যা বলে।    

সাধারণ কিছু গাণিতিক ভুল-১

[ আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াই ১ম ক্লাসেই যে সকল ছাত্র-ছাত্রীকে পাই, তারা ইতিপূর্বে ১২ টি বৎসর ধরে স্কুলে এবং কলেজে গণিত পড়ে এসেছে। তারপরেও ওদের মধ্যে এমন কিছু গলৎ ধারণা থাকে,  যে গুলোকে শোধরাতে আমাকে বেশ বেগ পেতে হয়। এমন কিছু জরুরী বিষয় নিয়েই বক্ষ্যমাণ নিবন্ধটি।]      

ক্ষুদ্র-র গাণিতিক ধারণা: দৈনন্দিন জীবনে কিন্তু গণিতের ছাত্র মাত্রই জানে যে -1<0 এবং  -4<-3<-2<-1  . এখন যদি তাকে প্রশ্ন করা হয় সবচে ক্ষুদ্র সংখ্যাটি কি ? সে উত্তর করবে বলা সম্ভব নয়, কারণ যেই ক্ষুদ্র সংখ্যাটি উল্লেখ করবে, অন্য এক জন ঐটির চেয়েও ক্ষুদ্রতর একটি সংখ্যা উল্লেখ করতে সমর্থ হবে।   




অসীম: গণিতশাস্ত্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারণা হল অসীম। প্রকৃতপক্ষে গণিত অধ্যায়ন ব্যতীত অসীমের সঠিক উপলব্ধি বেশ দুরূহ ব্যাপার। প্রথমেই বুঝা উচিৎ যে ‘অসীম’ বলতে কেবল একটি মান/পরিমাণকে বুঝায়, একাধিককে নয়। কিন্তু সেই মানটি এত বেশী বড় যে, কোন গাণিতিক সূত্রের  সাহায্যে উহাকে নির্ণয় করা যায় না। যেমন   tan 0o = 0, tan 30o = √3,  tan 45o = 1,  tan 150o = -√3  হয়  অর্থাৎ যে কোন কোণের  tangent নিলে একটিমাত্র মান পাওয়া যায়।

গণিত অলিম্পিয়াডের টক-মিষ্টি-ঝাল

( ৮ম ঢাকা দক্ষিণ আঞ্চলিক স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড ২০১৬ (তাং ২৫/১১/২০১৬) উপলক্ষে DIU কর্তৃক প্রকাশিত Souvenir এর লেখা) 

পৃথিবীতে অনেক ধরণের প্রতিযোগিতা আছে আর প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়া মানেই এক অনাবিল আনন্দ তবে একটি কঠিন অংক সমাধান করার যে মানসিক আনন্দ, তার সাথে তুলনা করার মত পৃথিবীতে আদৌ কিছু কী আছে! হয়তো থাকতে পারে, তবে তার সংখ্যা যে নেহায়েত নগণ্য তাতে কোন সন্দেহ নেই এককালে এই নির্মল আনন্দে অবগাহন করত কেবল ভুবন বিখ্যাত গণিতবিদগণ, অনেকটা একান্তে, সমাজ থেকে আলাদা হয়ে কিন্তু এতে বিবর্তন ঘটিয়েছে গণিত অলিম্পিয়াড এসে  মনের আনন্দ পরিমাপের যদি কোন যন্ত্র আবিষ্কার হত, তবে মাপলে দেখা যেত যে বিশ্বকাপে গোল্ডেন বল কিম্বা গোল্ডেন বুট জয়ীর মনে যে আনন্দ তার চেয়ে ঢের বেশী আনন্দ একজন গণিত অলিম্পিয়াড বিজয়ীর মনে                                                                                                                

শিক্ষাবিদ ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবালের নিকট বাংলাদেশের  সকল গণিতপ্রেমীরা চির ঋণী কারণ তার হাত ধরেই এদেশের গণিতবিদরা গণিতের বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ হতে শুরু করে তবে ডঃ জাফরের যাবতীয় কার্যক্রম কেবল IMO তথা  প্রাক বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সীমিত। অতএব, দরকার ছিল আর একজন পথিকৃতের যিনি Tertiary তথা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াডকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেবেন। A F M Mujibur Rahman Foundation হচ্ছে সে-ই নকীব যার ডাকে আজ

কোচিং, কেজি এবং প্রজন্মের লেখাপড়া

কবি জীবনানন্দ দাস “অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ,” বলে কেন হতাশা ব্যক্ত করেছিলেন এখনো অনেকের নিকটে অজ্ঞেয়! তবে এ বিষয়টি দিবালোকের ন্যায় পরিষ্কার যে আমাদের এই বাংলাদেশে স্কুল পর্যায়ের লেখাপড়াটা আজ ‘কোচিং’ নামের এক অদ্ভুত আঁধারে হারিয়ে গেছে। এই কোচিং যেন রূপকথার সেই বার হাত লম্বা কাঁকুড় যার বীচি তের হাত। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে প্রচুর লেখালেখি, বাদ-প্রতিবাদ, আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে কিন্তু সবই যেন অরণ্যে রোদন। তাই বলার জন্য হাজার কথা থাকলেও, তা না বলে ইংরেজি ভাষার বিখ্যাত প্রবাদ: Example is better than precept এর অনুকরণে কয়েকটি উদাহরণ উপস্থাপন করছি।

ঘটনা-১:  
সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৬।
সকাল সাড়ে সাতটা। মিরপুর-১ থেকে বিহঙ্গ পরিবহণের একটি বাসে ওঠলাম।পাশের সিটে আগে থেকেই বসে আছে ১২-১৩ বছরের একটি বাচ্চা ছেলে।নাদুস নুদুস গড়ন, গোলগাল চেহারা, ফর্সাসুন্দর। আমাকে বুড়ো মানুষ দেখে  মিষ্টি করে সালাম দিল। আমিও জবাব দিয়ে কথা বলতে শুরু করলাম।


 সেদিনের সেই বাচ্চাটির সাথে আমার কথোপকথনটা ছিল নিম্নরূপ। 

: খোকা, স্কুলে  যাচ্ছ নাকি ?
: জী না, স্কুল বন্ধ, কোচিং এ যাচ্ছি।
: কোনখানে ?
: ২৭ নম্বর। 
: এত দূরে!  শুধুমাত্র কোচিং করার  জন্য !! 

বিভ্রান্ত তারুণ্য এবং অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব

গত ১লা জুলাই, ২০১৬তে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্তোরাঁতে এমন  একটি ঘটনা ঘটে যা যেমন লোমহর্ষক, তেমন নিন্দনীয় উক্ত ঘটনা এবং সমসাময়িক আরও কিছু ঘটনা-দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অনেক ধরণের সামাজিক অবক্ষয়ের মধ্য হতে একটি বিশেষ চিত্র সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা গেছে উহা হচ্ছে, বাংলাদেশের বর্তমান যুব সমাজ ক্রমান্বয়ে বিপথগামী হয়ে যাচ্ছে । এখন স্থানে স্থানে সেমিনার-সিম্পজিয়ামের ঢল নেমেছে সর্বত্রই একই আলোচনা তরুণ প্রজন্মকে কিভাবে সঠিক পথে রাখা যায় ? তরুণরা কাকে অনুসরণ করবে ?



আদর্শের সন্ধানে 

উপরোক্ত জিজ্ঞাসার জবাবে নানা মুনীর নানা মত পাওয়া যাচ্ছে  অনুসরণীয় হিসাবে কেহ ম্যান্দেলা , কেহ ওবামা, কেহ বিল গেটস, কেহ স্টিভ জবস, কেহ বা মহাত্মা গান্ধীর কথা বলছেন কেহ উপদেশ দিচ্ছেন বেশী বেশী করে খেলাধুলাতে মগ্ন হতে আবার কেহ কেহ পরামর্শ দেন রবীন্দ্রচর্চা করতে আমি কোন ধরণের দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছাড়াই বলছি যে এহেন ব্যক্তিবর্গকে অনুসরণ করা অপেক্ষা শেরেবাংলা-সোহরাওয়ারদি-বঙ্গবন্ধুকে অনুসরণ করা শতগুণে উত্তম
কিন্তু এই তিনজনও যার অনুসারী হিসাবে পরিচয় দিতে গৌরবান্বিত হতেন, সেই মহান ব্যক্তিত্বের অনুসরণ নিয়েই আমার এই নিবন্ধটি  আর  সেই মহান ব্যক্তিটি হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহা সত্যি পরম আশ্চর্যের বিষয়, কোন বাঙালী যুবক যখন  বলে যে, সে এমন কাউকে খুঁজে পাচ্ছে না যাকে অনুসরণ করে একটি আদর্শ জীবন গঠন করা যায়। কারণ বাংলা ভাষায় বিশ্বনবী সম্পর্কে জানার জন্য বইপত্রের কোন অভাব নেই

আজ শুধুই কাঁদব

[ বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু নিয়ে অজস্র লেখা আছে কিন্তু এর ৯৯.৯৯% ভাগই হচ্ছে জ্ঞানী-গুণী-বিদগ্ধ জনদের অনুভূতি কিন্তু বঙ্গবন্ধু তো ছিল ছোটবড় সকলের অবুঝ শিশু-কিশোর পর্যন্ত ছিল বঙ্গবন্ধুর নামে দেওয়ানা বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুতে তারাও প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছিল এই লেখায় তেমনি এক কিশোরের ঠিক ঐদিনের মানসিক অবস্থাটা বর্ণনা করা হয়েছে লেখাটি জাতীয় শোক দিবসে অর্থাৎ ১৫ই আগস্টে ছাপা হলে বেশী মানানসই হত। কিন্তু পেশাগত ব্যস্ততা আর শারীরিক অসুস্থতার জন্য দেরি হয়ে গেল
                         
আগস্ট ১৫, ১৯৭৫ ইংরেজি   
আযানের সাথে সাথেই ঘুম ভাঙে খালেদের দ্রুত শয্যা ছেড়ে নামাজ-কালাম পড়ে, গা-গোসল সেরে রীতিমত ফিটফাট হয়ে বসে আছে খালেদ উত্তেজনায় একটু একটু কাঁপছেও বটে দীর্ঘ দিনের লালিত মধুর স্বপ্নটি আজ বাস্তবায়িত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে         

ভাল করে নাস্তা খেয়ে নে, খালেদ। সারাদিন অনেক দৌড়াদৌড়িতে ব্যস্ত থাকতে হবে। আম্মু বললেন নাস্তা বেড়ে দিয়ে। তারপরে খালেদের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললেন, তোকে বেশ মানিয়েছে । এক্কেবারে মিনি বঙ্গবন্ধু !                                               



একটু লজ্জা পেল খালেদ। চেহারাটা আর একটু গম্ভীর করে ফেলল।
তারপরে মাথা নিচু করে নাস্তা খেতে থাকল। খাওয়ার ফাঁকে আর একবার আয়না দেখে নিল। আজ সে পরেছে তার প্রিয় ‘বঙ্গবন্ধু ড্রেস’। এ নামটা অবশ্য খালেদের দেয়া। গত ঈদে আব্বুর কাছে আব্দার করে বসে বঙ্গবন্ধু যেমন পরে, তেমন ডিজাইনের সাদা কাপড় দিয়ে পায়জামা-পাঞ্জাবি বানিয়ে দিতে আর একটি কালো কোট দিতে।

আল কুরআনের তথাকথিত গবেষকগণ!

আমি নিজে কোন আলেম নই। তবে আমি ঐ সকল সৌভাগ্যবানদের একজন যারা কুরআন-হাদিসকে ভালবাসে, শত ব্যস্ততার ফাঁকে একটু করে হলেও কুরআন-হাদিস চর্চা করতে চায়। আর এই কাজটি করতে গিয়েই আমরা কিছু মারাত্নক ভুল করে থাকি। এই কথাগুলো তাদের সম্বন্ধে বিশেষভাবে প্রযোজ্য যারা আল-কুরআনে বিজ্ঞানের অনুসন্ধান নিয়ে সদাব্যস্তএই জাতিয় লোকদের অধিকাংশের মধ্যে এহেন বিষয়গুলো দেখেছি বলেই আমি এই প্রসঙ্গে দিকপাত করছি। আমার বক্তব্য হয়তো খুবই তিক্ত হবে, কিন্তু উহা অভিজ্ঞতালব্ধ ও সত্য। 


   
প্রথমতঃ এদের ব্যক্তিগত আমল ভয়ংকর পর্যায়ের ত্রুটিপূর্ণ। দাঁড়ি-টুপি ইত্যাদি তো দূরের কথা, নামায-রোযা-পর্দার ধারে কাছেও অনেকে নেই। তারা রাতদিন পবিত্র কুরআন শরীফের বিভিন্ন অনুবাদ-তাফসীর ইত্যাদি নিয়ে বসে থাকে ( কারণ এদের অধিকাংশই আরবী বুঝে না )। যখনি এদের কানে আসে যে