Join Us On Facebook

Please Wait 10 Seconds...!!!Skip

আহা, কী আনন্দ ! (হবুরাজা নিয়ে গল্প)


[লেখকের কথাঃ গল্প-কবিতা-উপন্যাস তথা সাহিত্যে এমন কিছু চরিত্র আছে, যেগুলো  মোটেও ঐতিহাসিক নয়; কিন্তু অনেক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের চেয়েও ঢের মশহুর। উদাহরণস্বরূপ কার্টুন জগতের  টোকাই, চাচা চৌধুরী; রহস্য সাহিত্যে মাসুদ রানা, কিরীটী রায়, টারজান; ছোটগল্পে ফটিক, জোহরা; উপন্যাসে হিমু, মিসির আলী, মজিদ, কাদম্বিনী  ইত্যাদি এবং আরও অনেক অনেক চরিত্রের নাম করা যায়। তেমনি আর একটি চরিত্রের নাম ‘হবুরাজা’। অথচ এই অতি  বিখ্যাত চরিত্রটি নিয়ে বাংলা সাহিত্যে মাত্র দুটো কবিতা পাওয়া যায়ঃ ‘জুতা আবিষ্কার’ (রচনায়ঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ) এবং  ‘হবুচন্দ্ররাজা’ ( রচনায়ঃ সুনির্মল বসু )। অতএব, হবুরাজাকে নিয়ে কিছু একটা রচনা  করার শখ জাগল। ‘ আহা, কী আনন্দ !’  গল্পটি সেই শখের বহিঃপ্রকাশ। সার্থকতার বা ব্যর্থতার বিচারের ভার পাঠকের। তবে একটা কথা বলে রাখি, এটা শুধু গল্প। পাঠককে আনন্দ দেবার জন্য একটি নগণ্য প্রয়াস। এর সাথে রাজনীতির দূরতম সম্পর্কও নেই। সুতরাং, যদি কোথাও কোন মিল পরিলক্ষিত হয়, সেটা স্রেফ কাকতালীয়। উহাকে ক্ষমাসুন্দর ও সাহিত্যসুলভ দৃষ্টিভঙ্গিতে গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ রইল। ]  
  

(১ম পর্বঃ  ২২ মার্চ ২০১৪ ) 
 
নাগরপুর রাজ্যের মহা প্রতাপান্বিত রাজা হবুচন্দ্র। অফিসিয়ালী তার নামটা এভাবে লেখা হয় নাগরপুর রাজ্যের জল-স্থল --অন্তরীক্ষের মহান রাজাধিরাজ ফিল্ড মার্শাল হবুচন্দ্র দ্য গ্রেট তার দাপটে বাঘে আর  ছাগলে এক ঘাটে  জল খায় না বটে, কিন্তু পুলিশ আর ফেরারী আসামী গলাগলি  করে হাটে। 

গোলাম মাওলা রনির একটি প্রবন্ধ ও কিছু কথা

গোলাম মাওলা রনি। একজন স্বনামধন্য সাবেক সংসদ সদস্য। বর্তমানে একজন বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও লব্ধ প্রতিষ্ঠিত লেখক। জনাব রনির লেখার উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, লেখাগুলো গভীর চিন্তাপ্রসুত। বোঝা যায় যে, প্রতিটি লেখার পেছনে প্রচুর পড়াশুনা আছে। কিছু লেখা তো এক কথায় অসাধারণ। তার ‘এক পাগলা রাজা এবং ডাইনি মায়ের ইতিকথা!’লেখাটি (দৈনিক নয়া দিগন্ত, ১১-০৩-২০১৪) আমি বিশেষভাবে সংগ্রহে রেখেছি।

তারপরও জনাব রনি একজন মানুষ। আর আম্বিয়া আলাইহিস সালামগণ ব্যতীত কোনো মানুষই ভুল ত্রুটির ঊর্ধ্বে নয়। জনাব রনির সাম্প্রতিক একটি লেখাতে বেশ বড় মাত্রার কিছু ভুল হয়ে গেছে। সেই লেখাটি একটি প্রবন্ধ। যার শিরোনাম ‘স্রষ্টার পক্ষ থেকে যখন শাস্তি আসে’(দৈনিক নয়া দিগন্ত, ২২-০৪-২০১৪)। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমার এই আলোচনা।

তির্যক সমালোচক হিসাবে নয়, বরং একজন সহৃদয় পাঠক এবং সর্বোপরি একজন মুসলমান ভাই হিসাবে বিবেক তাড়িত হয়ে আমার এই কলম ধরা।