Join Us On Facebook

Please Wait 10 Seconds...!!!Skip

কোচিং, কেজি এবং প্রজন্মের লেখাপড়া

কবি জীবনানন্দ দাস “অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ,” বলে কেন হতাশা ব্যক্ত করেছিলেন এখনো অনেকের নিকটে অজ্ঞেয়! তবে এ বিষয়টি দিবালোকের ন্যায় পরিষ্কার যে আমাদের এই বাংলাদেশে স্কুল পর্যায়ের লেখাপড়াটা আজ ‘কোচিং’ নামের এক অদ্ভুত আঁধারে হারিয়ে গেছে। এই কোচিং যেন রূপকথার সেই বার হাত লম্বা কাঁকুড় যার বীচি তের হাত। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে প্রচুর লেখালেখি, বাদ-প্রতিবাদ, আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে কিন্তু সবই যেন অরণ্যে রোদন। তাই বলার জন্য হাজার কথা থাকলেও, তা না বলে ইংরেজি ভাষার বিখ্যাত প্রবাদ: Example is better than precept এর অনুকরণে কয়েকটি উদাহরণ উপস্থাপন করছি।

ঘটনা-১:  
সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৬।
সকাল সাড়ে সাতটা। মিরপুর-১ থেকে বিহঙ্গ পরিবহণের একটি বাসে ওঠলাম।পাশের সিটে আগে থেকেই বসে আছে ১২-১৩ বছরের একটি বাচ্চা ছেলে।নাদুস নুদুস গড়ন, গোলগাল চেহারা, ফর্সাসুন্দর। আমাকে বুড়ো মানুষ দেখে  মিষ্টি করে সালাম দিল। আমিও জবাব দিয়ে কথা বলতে শুরু করলাম।


 সেদিনের সেই বাচ্চাটির সাথে আমার কথোপকথনটা ছিল নিম্নরূপ। 

: খোকা, স্কুলে  যাচ্ছ নাকি ?
: জী না, স্কুল বন্ধ, কোচিং এ যাচ্ছি।
: কোনখানে ?
: ২৭ নম্বর। 
: এত দূরে!  শুধুমাত্র কোচিং করার  জন্য !!